myUpchar प्लस+ सदस्य बनें और करें पूरे परिवार के स्वास्थ्य खर्च पर भारी बचत,केवल Rs 99 में -

সারাংশ

জন্ডিস (কামলা রোগ) একটি অসুখ যেখানে টোটাল সিরাম বিলিরুবিন'এর (টি-এস-বি) মাত্রা 3 এমজি/ডিএল'র বেশি হয়ে যায়। এর লক্ষণগুলির মধ্যে আছে ত্বক, চোখের সাদা অংশ এবং মিউকাস ঝিল্লি (শরীরের ভিতরের নরম অংশগুলির আস্তরণ যেমন মুখ) হলদে হয়ে যাওয়া। নবজাতক শিশুদের সাধারণত জন্ডিস (কামলা রোগ) থাকে, কিন্তু প্রাপ্তবয়স্কদেরও এই রোগে ভুগতে হতে পারে। বড়দের অন্যান্য লক্ষণও থাকে যেমন, পেট ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, ওজন হ্রাস, ইত্যাদি। শিশুদের ক্ষেত্রে ফোটোথেরাপী এবং রক্ত সঞ্চালন করতে হয়। বড়দের ক্ষেত্রে অসুখের কারণটি বাদ দিতে হবে, ওষুধ-পত্রের ব্যবহার এবং কখনও কখনও শল্য চিকিৎসা করতে হয়। যদি চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে অসুখটি শিশুদের মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করতে পারে। এছাড়াও অন্যান্য জটিলতা, যেমন সেপসিস, যকৃত এবং বৃক্কের অসুখ বা ব্যর্থতা হতে পারে।

বিলিরুবিনের বিপাক

আমাদের দেহে নতুন লোহিত রক্ত কণিকা (আর-বি-সি) ক্রমাগত তৈরি হতে থাকে আর পুরানোগুলি ধ্বংস হতে থাকে। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন, পুরানো আর-বি-সি'র ভিতরে থাকা হিমোগ্লোবিন ভেঙে গিয়ে গ্লোবিন, লোহা আর বিলিভার্ডিন তৈরি হয়। আমাদের হাড়ের মজ্জার ভিতরে গ্লোবিন আরে লোহাকে পুনঃব্যবহার করে নতুন হিমোগ্লোবিন তৈরি হয়। ওদিকে, বিলিভার্ডিন আবার ভেঙে গিয়ে বিলিরুবিন নামক উপজাত পদার্থ তৈরি করে। এই বিলিরুবিনকে যকৃত নিয়ে গিয়ে আরও বিপাক প্রক্রিয়া তে পাঠানো হয়। এই প্রক্রিয়াজাত বিলিরুবিন পিত্তনালীর মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়ে পৌঁছায় অন্ত্রে। সেখানে এটি ভেঙে গিয়ে সৃষ্টি হয় ইউরোবিলিনোজেন ও স্টারকোবিলিনোজেন। ইউরোবিলিনোজেনকে শুষে নিয়ে রক্তে ছেড়ে দেওয়া হয়, যার কিছু অংশ আবার আমাদের যকৃতে ফিরে আসে এবং বাকিটাকে বৃক্ক পাঠিয়ে দেয় প্রস্রাবে। স্টারকোবিলিনোজেন মলের সাথে শরীরের বাইরে চলে যায়।

  1. জন্ডিস (কামলা রোগ) এর উপসর্গ - Symptoms of Jaundice in Bengali
  2. জন্ডিস (কামলা রোগ) এর চিকিৎসা - Treatment of Jaundice in Bengali
  3. জন্ডিস জন্য ঔষধ
  4. জন্ডিস ৰ ডক্তৰ

জন্ডিস (কামলা রোগ) এর উপসর্গ - Symptoms of Jaundice in Bengali

শিশুদের মধ্যে

  • নবজাতক বা ফিজিয়োলজিক্যাল জন্ডিস (কামলা রোগ)
    বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর শিশুদের জন্ডিসের (কামলা রোগ) খুব সামান্য বা কোন লক্ষণ থাকে না। কিন্তু যদি আপনার বাচ্চার জন্মের সময়ে ওজন কম থাকে অথবা বাচ্চার জন্ম সময়ের আগে হয়ে থাকে, তাহলে আপনার শিশু জন্ডিসের (কামলা রোগ) স্বাতন্ত্র্যসূচক বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করতে পারে। এই লক্ষণগুলি আপনার বাচ্চার দেহে ফুটে উঠতে এক সপ্তাহের মতন সময় লাগবে এবং তিন সপ্তাহ থেকে এক মাস অবধি থাকবে। শিশুর ত্বক, মুখের ভিতরের নরম আস্তরণ, চোখের সাদা অংশ, হাতের তালু এবং পায়ের পাতা হলদে হয়ে যাবে। প্রস্রাবের রঙ হবে গাঢ় হলদে। সময়ের সাথে সাথে মলের রঙ ফ্যাকাসে হতে থাকবে। ত্বকের এই হলদে ভাব শুরু হবে মাথা এবং মুখের দিক থেকে আর তারপর কয়েক দিনের মধ্যে সারা দেহে ছড়িয়ে পড়বে। বুকের দুধ খেতে আপনার বাচ্চার অসুবিধা হবে। সে দুর্বল হবে যাবে এবং ঘুম ঘুম ভাব থাকবে। তার কান্না হবে উচ্চ ও তীক্ষ্ণ স্বরের।
     
  • হেমোলাইটিক জন্ডিস (কামলা রোগ)
    যদি কোন আর-এইচ পজিটিভ (আর-এইচ মানে রিশাস, যা আর-বি-সি'তে প্রাপ্ত একটি প্রোটিন। যদি কোন ব্যক্তির এই প্রোটিন থাকে, তাহলে তাকে আর-এইচ পজিটিভ বলা হয়) শিশুর মা আর-এইচ নেগেটিভ হন (যার আর-বি-সি'তে আর-এইচ প্রোটিন নেই) তাহলে আর-বি-সি'গুলি ভীষণ ভাবে ধ্বংস হতে থাকবে। আর-এইচ পজিটিভ রক্তে থাকে ডি-এন্টিজেন, যা মায়ের দেহের সুরক্ষা ব্যবস্থার দিক থেকে একটি বাইরের বস্তু হিসাবে কাজ করে। মায়ের দেহের সুরক্ষা ব্যবস্থা এই অ্যান্টিজেনের প্রতি সংবেদনশীল হয়ে ডি-বিরোধী এন্টিবডি তৈরি করে (এগুলি প্রোটিন, যা ডি-এন্টিজেন'কে চিনতে পেরে সেই আর-বি-সি'গুলিকে ধ্বংস করে)। এই এন্টিবডিগুলি মায়ের প্লেসেন্টা (বা অম্বলিক্যাল কর্ড) অতিক্রম করে এবং গর্ভের শিশুর আর-বি-সি'গুলি, যাতে ডি-এন্টিজেন আছে, ধ্বংস করা শুরু করে। এই হিমোলাইসিস'এর ফলে সিরাম'এ টি-এস-বি'র মাত্রা বৃদ্ধি পায়, ফলে জন্ডিস (কামলা রোগ) হয়। এই অবস্থাকে নবজাতকদের হিমোলাইটিক অসুখ  বা এরিথ্রোব্লাসটোসিস ফেটালিস বলা হয়। এর লক্ষণগুলি নবজাতকের জন্ডিস (কামলা রোগ) রোগের মতনই হয়। আপনার শিশুর অন্যান্য যে সকল লক্ষণ থাকতে পারে, সেগুলি হল:
    • পেট ব্যথা
    • রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গিয়ে রক্তাল্পতা দেখা দেয়।
    • কনজেসটিভ কার্ডিয়াক ফেলিয়োর (হার্ট ফেলিয়োর)।

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে

প্রাপ্তবয়স্কদেরও জন্ডিস'এর (কামলা রোগ) সাধারণ লক্ষণ দেখা যায় যেমন ত্বক আর চোখের সাদা অংশ এবং মুখের ভিতরের পাতলা ত্বক হলদে হয়ে যাওয়া। এইগুলি ছাড়াও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্ডিস'এর (কামলা রোগ) অন্যান্য লক্ষণগুলি হল উপরের ডান দিকে পেট ব্যথা যা অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়তে পারে যেমন পিঠের ডান দিক, ডান কাঁধ, পেটের নিচে ডান দিকে, ইত্যাদি, চুলকানির ভাব, ফ্যাকাসে হাতের তালু এবং পায়ের পাতা, ওজন হ্রাস পাওয়া, ক্ষুধামান্দ্য, জ্বর, গাঢ় হলদে প্রস্রাব এবং হালকা হলদে মল।

জন্ডিস (কামলা রোগ) এর চিকিৎসা - Treatment of Jaundice in Bengali

জন্ডিস'এর (কামলা রোগ) ধরণের উপর নির্ভর করে এর চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। কয়েকটি চিকিৎসা পদ্ধতি নিচে ব্যাখ্যা করা হল:

শিশুদের ক্ষেত্রে

  • নবজাতকদের জন্ডিস (কামলা রোগ)
    আপনার বাচ্চার লক্ষণগুলি 2-4 সপ্তাহের মধ্যে প্রশমিত হবে যখন তার যকৃতের সম্পূর্ণ বিকাশ হবে। সে তখন অতিরিক্ত বিলিরুবিন'কে নিতে এবং বিপাক করতে পারবে। তবে আপনার বাচ্চার যদি গুরুতর জন্ডিস (কামলা রোগ) হয় এবং তার সিরামের টি-এস-বি'র মাত্রা বেশি থাকে, তাহলে চিকিৎসার প্রয়োজন আছে। এই চিকিৎসাগুলি হল ফোটোথেরাপি, এক্সচেঞ্জ ট্রানসফিউশান, ইত্যাদি।
    • ফোটোথেরাপি
      ফোটোথেরাপিতে আপনার বাচ্চাকে যতটা সম্ভব ততটা আলোর মধ্যে রাখা হয়। আলো এবং অক্সিজেন মিলে ফোটো-অক্সিডেশান ঘটায় যেখানে অক্সিজেন আর বিলিরুবিন সংযুক্ত হয়ে জলে দ্রবীভূত হয়। তখন শিশুটির যকৃত একে সহজেই ভেঙে শরীর থেকে বার করে দেয়। প্রতি 3-4 ঘণ্টা অন্তর ফোটোথেরাপি'তে 30 মিনিটের বিরাম দেওয়া হয় যাতে মা তার বাচ্চাকে খাওয়াতে পারেন। যদি 1-2 দিনের মধ্যে আপনার বাচ্চার টি-এস-বি'র মাত্রা কমে স্বাভাবিক না হয়, তাহলে বিনা বিরামে ফোটোথেরাপি দিতে হতে পারে।
       
    • এক্সচেঞ্জ ট্রানসফিউশান
      যদি ফোটোথেরাপি কার্যকর না হয় এবং আপনার বাচ্চার বিলিরুবিনের মাত্রা খুবই বেশি থাকে, তাহলে রক্ত দেওয়ার সুপারিশ করা হতে পারে। একজন উপযুক্ত দাতার (যার রক্তের গ্রুপ একই এবং যার রক্তের কোন ত্রুটি বা সংক্রমণ নেই) থেকে রক্ত নেওয়া হয়। শিশুর রক্ত ধীরে ধীরে এই রক্ত দিয়ে বদলে দেওয়া হয়। যেহেতু নতুন রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা উঁচু নয়, তাই শিশুর সিরামের বিলিরুবিন মাত্রা দ্রুত কম হবে। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন শিশুটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। রক্ত দেওয়ার দুই ঘণ্টা পরে শিশুর বিলিরুবিনের মাত্রা পরীক্ষা করে দেখা হয়।
       
  • নবজাতকদের হেমোলাইটিক অসুখ (এরিথ্রোব্লাসটোসিস ফেটালিস)
    হালকা ক্ষেত্রে সাধারণত কোনও চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। যদি গুরুতর হয়, তাহলে ফোটোথেরাপির সাথে সাথে রক্ত দেওয়ার সুপারিশ করা হতে পারে। অথবা শিশুর অবস্থা ভাল করতে তাকে ইমিউনোগ্লোবিউলিন (বাইরের বস্তুর মোকাবিলা করার জন্য শরীরের সুরক্ষা ব্যবস্থার তৈরি প্রোটিন) ইনজেকশন দেওয়া হতে পারে। এই ইনজেকশন শিশুর আর-বি-সি'র ভেঙে যাওয়া রোধ করে টি-এস-বি'র মাত্রা কম করে।

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে
প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্ডিসের (কামলা রোগ) চিকিৎসা রোগের অন্তর্নিহিত কারণের উপরে নির্ভর করে এবং কারণটিকে সরিয়ে দেয়। জন্ডিস (কামলা রোগ) রোগের অন্তর্নিহিত কারণগুলি এবং তাদের চিকিৎসার উদাহরণ নিচে দেওয়া হল: 

  • রক্তাল্পতা
    আর-বি-সি’গুলি ভেঙে যাওয়া বন্ধ করতে আপনার ডাক্তারবাবু আপনার জন্য লোহা'র পরিপূরকের বিহিত দিতে পারেন।
     
  • সংক্রমণ (যেমন হেপাটাইটিস)
    এন্টিভাইরাল বা এন্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে এর চিকিৎসা হতে পারে।
     
  • যকৃতের ক্ষতি, যেমন দীর্ঘস্থায়ী যকৃতের অসুখ বা মদ-জনিত ফ্যাটি যকৃতের অসুখ
    আপনার যকৃত'কে আরও বেশি ক্ষতি থেকে বাঁচাতে এবং এর অবস্থার উন্নতি করতে আপনার ডাক্তারবাবু আপনাকে মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে পরামর্শ দেবেন। চরম ক্ষেত্রে যকৃত প্রতিস্থাপন করতে হতে পারে।
     
  • পিত্তনালীতে বাধা
    পিত্তনালী ফুলে গিয়ে বাধার সৃষ্টি করতে পারে, অগ্ন্যাশয়ের কর্কট রোগ বা টিউমার পিত্তনালীতে চাপ দিতে পারে। শল্য চিকিৎসা করে এই বাধা দূর করতে হবে।
     
  • জেনেটিক অসুখ যা জন্ডিস (কামলা রোগ) রোগের কারণ হতে পারে
    যার অভাবে জন্ডিস (কামলা রোগ) হয়েছে সেইগুলিকে যোগ করে এর চিকিৎসা করা হয়।

নিজের-যত্ন

নিজের যত্ন নেওয়া চিকিৎসার মতই গুরুত্বপূর্ণ। হালকা, সুষম, কম চর্বির খাদ্য, প্রচুর তরল পদার্থ, তাজা ফলের রস, ওষুধ-পত্র এবং বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুপারিশ করা হচ্ছে যে আপনি ভারী, মশলাদার এবং রাস্তার খাবার খাবেন না। অজানা উৎসের জল পান করবেন না। ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন।

Dr. Mahesh Kumar Gupta

Dr. Mahesh Kumar Gupta

Gastroenterology
11 वर्षों का अनुभव

Dr. Raajeev Hingorani

Dr. Raajeev Hingorani

Gastroenterology
9 वर्षों का अनुभव

Dr. Vineet Mishra

Dr. Vineet Mishra

Gastroenterology
8 वर्षों का अनुभव

Dr. Ankit Gangwar

Dr. Ankit Gangwar

Gastroenterology
3 वर्षों का अनुभव

জন্ডিস की जांच का लैब टेस्ट करवाएं

Bile Salts And Pigments Urine

25% छूट + 5% कैशबैक

LFT ( Liver Function Test )

25% छूट + 5% कैशबैक

জন্ডিস জন্য ঔষধ

জন্ডিস के लिए बहुत दवाइयां उपलब्ध हैं। नीचे यह सारी दवाइयां दी गयी हैं। लेकिन ध्यान रहे कि डॉक्टर से सलाह किये बिना आप कृपया कोई भी दवाई न लें। बिना डॉक्टर की सलाह से दवाई लेने से आपकी सेहत को गंभीर नुक्सान हो सकता है।

Medicine Name
ADEL 38 खरीदें
SBL Dibonil Drops खरीदें
ADEL 49 खरीदें
SBL Nixocid Syrup खरीदें
ADEL 5 खरीदें
SBL Five Phos Tablet खरीदें

References

  1. Stillman AE. Jaundice. In: Walker HK, Hall WD, Hurst JW, editors. Clinical Methods: The History, Physical, and Laboratory Examinations. 3rd edition. Boston: Butterworths; 1990. Chapter 87.
  2. National Health Service [internet]. UK; Treatment Newborn jaundice
  3. p S, Glicken S, Kulig J, et al. Management of Neonatal Hyperbilirubinemia: Summary. 2002 Nov. In: AHRQ Evidence Report Summaries. Rockville (MD): Agency for Healthcare Research and Quality (US); 1998-2005. 65.
  4. Wan A, Mat Daud S, Teh SH, Choo YM, Kutty FM. Management of neonatal jaundice in primary care. Malays Fam Physician. 2016 Aug 31;11(2-3):16-19. PubMed PMID: 28461853; PubMed Central PMCID: PMC5408871.
  5. National Health Service [internet]. UK; Kernicterus
  6. National Health Service [Internet]. UK; Jaundice
और पढ़ें ...
ऐप पर पढ़ें